Ekattorer Dinguli Pdf By Jahanara Imam - একাত্তরের দিনগুলি - জাহানারা ইমাম

Ekattorer Dinguli Pdf By Jahanara Imam
Ekattorer Dinguli Pdf By Jahanara Imam


একাত্তরের দিনগুলি বইটি খাতিমান লেখক জাহানারা ইমাম এর একটি অন্যতম বাংলা মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক বই। অনিলাইন থেকে এই বইয়ের একটি pdf কপি সংগ্রহ করেছি আমরা। এবং বইটি আপনাদের সাথে শেয়ার করছি।

 আপনি একাত্তরের দিনগুলি বইটি অনলাইনে পড়তে পারবেন এবং প্রয়োজনে ডাউনলোডও করতে পারবে।


বই পরিচিতিঃ
বইয়ের নামঃ একাত্তরের দিনগুলি
মূল লেখকঃ  জাহানারা ইমাম
বইয়ের ধরনঃ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক বই
ফরমেটঃ Pdf Bangla Books
সাইজঃ ৫ এমবি


মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে কিছু কথা!

মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধ

  মুক্তিযুদ্ধ বাঙালি জাতির সবচেয়ে গৌরবময় ঘটনা। এই যুদ্ধের মধ্য দিয়েই আমরা লাভ করেছি স্বাধীন দেশ, নিজস্ব পতাকা। ১৯৭১ সালের ২৬ শে মার্চ বাংলার ছাত্র-যুবক, কৃষক-শ্রমিকসহ সর্বস্তরের জনগণ বর্বর হানাদার পাকবাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়। তারই পরিণতিতে ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর অর্জিত হয় চূড়ান্ত বিজয়। বিশ্বের মানচিত্রে খোদিত হয় একটা নাম- ‘স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ’।
১৯৭১ খ্রিস্টাব্দে যাঁরা অস্ত্র হাতে সরাসরি পাকিস্তানি বাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধ করেছেন কেবল তাঁদেরই মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গণ্য করা হয় তা নয়। সেই সঙ্গে অস্থায়ী মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রী, সরকারী কর্মকর্তা ও কর্মচারী, ভারতের শরণার্থী শিবিরগুলোতে ত্রাণ বিতরণসহ যাঁরা বিভিন্ন সেবামূলক কাজে অংশ নিয়েছেন তারা, কোলকাতায় স্থাপিত স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের পরিচালকমণ্ডলী, সাংবাদিক, ভাষ্যকার ও শিল্পী, প্রমুখকেও মুক্তিযোদ্ধা হিসাব তালিকাবদ্ধ করা হয়েছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকালে যারা অস্ত্র হাতে মাঠ পর্যায়ে যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেছিলেন তাদের চার ভাগে ভাগ করা হয়ে থাকে। যথা:
(ক) তৎকালীন পাকিস্তান সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, ইপিআর, পুলিশ ও আনসার বাহিনীর নিয়মিত সদস্যবৃন্দ। এরা আগে থেকেই অস্ত্র ব্যবহারে এনমকী সম্মুখ সমরাভিযানে প্রশিক্ষিত ছিলেন। ১৯৭১-এ মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে এরা পাকিস্তানের পক্ষ ত্যাগ করে সরাসরি মুক্তিযুদ্ধ শুরু করেছিলেন। এদের অধিকাংশই ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের ‘নিয়মিত বাহিনী’র সদস্য ছিলেন।
(খ) দ্বিতীয়ত: সাধারণ মানুষ যাঁরা বাংলাদশে ত্যাগ করে ভারতে গিয়েছিলেন এবং ভারতের প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে অস্ত্রচালনা, বিস্ফোরকদ্রব্যের ব্যবহার ও গেরিলাযুদ্ধের কলাকৌশলে প্রশিক্ষণ লাভের পর দেশের অভ্যন্তরে বিভিন্ন এলাকায় পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে সেগুলো ব্যবহার করেছিলেন। সংখ্যাই এরাই সর্বার্ধিক। এদের বলা হতো ‘গণবাহিনী’। সামরিক প্রশিক্ষণের পরই এদের হাতে অস্ত্র ও গোলাবারুদ দেয়া হয়েছিল। এদের মধ্যে ছিলেন কৃষক, শ্রমিক, ছাত্র সহ সমাজের নানা স্তরের মানুষ।
(গ) টাঙ্গাইলের বঙ্গবীর আব্দুল কাদেরর সিদ্দীকীর (বীর উত্তম) নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত কাদেরিয়া বাহিনীর লোকজন। এদের অধিকাংশই প্রশিক্ষণের জন্য ভারতে যাননি। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ল্যান্স নায়েক কাদের সিদ্দিকীর নেতৃত্বে দেশের ভেতরই প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন; এবং
(ঘ) কেবল ছাত্রলীগের একদল নেতা-কর্মী, যাঁরা মুক্তিযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে নতুনভাবে ভারতে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন, কিন্তু দেশাভ্যন্তরে না-ফিরে বাংলাদেশ-ভারতের সীমান্ত এলাকায় যুদ্ধ করেছেন। এদের পৃথকভাবে নাম দেওয়া হয়েছিল ‘মুজিব বাহিনী’।

  ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা প্রাপ্তি বাঙালি জাতির হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ অর্জন। এ যুদ্ধে খুলনা বিভাগের মানুষের অবদানও কম ছিল না। যুদ্ধ শুরু হয়ে গেলে স্বাধীনতার রক্তসূর্য ছিনিয়ে আনার সংকল্প নিয়ে এখানকার হাজার হাজার মানুষ তাতে ঝাঁপিয়ে পড়ে। নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যেও তারা বীরত্বের সাথে যুদ্ধ করেছে। তাঁরা তাঁদের জীবনের বিনিময়ে পরম প্রার্থিত প্রাণপ্রিয় স্বাধীনতা উপহার দিয়ে যান।
  মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে খুলনা বিভাগের অবদান কম নয়। খুলনা বিভাগের মুক্তিযুদ্ধ সার্বিক মুক্তিযুদ্ধের সাথে বিচ্ছিন্ন কোন ব্যাপারও নয়। তবু সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ একই সূত্রে গ্রথিত হলেও এ এলাকার লড়াইয়ের নিজস্ব একটা স্বকীয়তা রয়েছে। ভৌগলিক অবস্থার প্রেক্ষাপটে শত্রুপক্ষের হামলা ও তার প্রতিরোধ প্রচেষ্টার মধ্যে কোন কোন ক্ষেত্রে স্বাতন্ত্র্য থাকাই স্বাভাবিক। খুলনা জেলার বড় অংশ ছিল নবম সেক্টরভুক্ত। খুলনায় মুক্তিযুদ্ধের নয় মাস অনবরত যুদ্ধ চলে। এখানে যেমন গেরিলা যুদ্ধ তেমনি হয় সম্মুখ সমর। প্রলয়ংকরী ট্যাংক যুদ্ধও হয় এখানে। এ যুদ্ধে এখানে বেশ কিছু ঘটনা ঘটে যা সহজেই চোখে পড়ার মতো।  প্রথমতঃ খুলনার সাতক্ষীরা থেকে ব্যাংক অপারেশনের মাধ্যমে উদ্ধারকৃত এক কোটি পচাত্তর লক্ষ টকা নিয়েই নবগঠিত বাংলাদেশ সরকারের যাত্রা শুরু হয়। দ্বিতীয়তঃ ১৬ই ডিসেম্বর পাক বাহিনী ঢাকায় আত্মসমর্পণ করলেও খুলনায় তা ঘটে একদিন পর, ১৭ই ডিসেম্বর। তৃতীয়তঃ এখানে শিরোমনি নামক স্থানে সংঘটিত হয় ঐতিহাসিক ট্যাংক যুদ্ধ যা ছিল একটা অনন্যসাধারণ ঘটনা। এমন ট্যাংক যুদ্ধ দেশের অন্যত্র খুব কমই ঘটেছে। চতুর্থতঃ খুলনা দেশের এমন একটা এলাকা যেখানে মুক্তিযুদ্ধকালীন সময় ভুল বোঝা-বুঝির কারণে ভারতীয় বিমানের আঘাতে ধ্বংস হয়  স্বাধীন বাংলাদেশ সরকারের যুদ্ধ জাহাজ পদ্মা ও পলাশ।

সুত্রঃ সরকারী ওয়েবসাইট থেকে!




ফাস্ট সার্ভার দিয়ে ডাউনলোড   ।  গুগল ড্রাইভ ডাউনলোড           



বাংলা পিডিএফ বুক সম্পর্কে কিছু কথা!
আমরা অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বাংলা পিডিএফ বই কালেক্ট করে আপনাদের সুবিধার্থে সাইটে আপলোড করি।
বাংলা পিডিএফ বই আমাদের নিজস্ব কোন সম্পত্তি নয়, পিডিএফ বইয়ের সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত সংশ্লিষ্ট বইয়ের প্রকাশক, লেখক। আমরা তো শুধু পিডিএফ আপলোড দেই। সুতরাং বাংলা কোন বইয়ের যদি আপনি প্রকাশক হন তাহলে আমাদেরকে জানাবেন। আমরা অতিশিগ্রই আপনার আপলোডকৃত বইটি রিমুভ করব। দুর্জয়বুক হচ্ছে বাংলা পিডিএফ বই ডাউনলোড করার ওয়েবসাইট, আমরা বই বিক্রি করি না। তবুও যদি সাইট সম্পর্কে আপনার কোন অভিযোগ-অনুযোগ থাকে তাহলে যোগাযোগ করবেন।

ডাউনলোড প্রবলেমঃ
অনেক সময় মিডিয়া ফায়ার লিঙ্ক কাজ করে না তাই দুর্জয়বুক সব সময় গুগল ড্রাইভ লিঙ্ককে প্রাধান্য দেয়। যদি আপনি কোন বই ডাউনলোড করতে সমস্যা হয় তাহলে দয়া করে কমেন্টে জানান। আমরা যথাসাধ্য অল্প সময়ে লিঙ্ক ঠিক করে দিব।

পোস্ট ট্যাগসঃ
মুক্তিযুদ্ধের বই pdf, বাংলা পিডিএফ বই, বাংলা মুক্তিযুদ্ধের বই, হুমায়ুন আহমেদের বই pdf, জাহানা ইমামের বইসমুহ,

Post a Comment

Previous Book Next Book